সোমবার ● ২৯ জুন ২০২৬
প্রথম পাতা » আইসিটি সংবাদ » এশিয়া-প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের তিন স্বর্ণ
এশিয়া-প্যাসিফিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের তিন স্বর্ণ
প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডে (এপিওএআই) তিনটি স্বর্ণপদক জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। চীন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান ও ইরানসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮টি দেশের ১২৯ জন প্রতিযোগীর মধ্যে বাংলাদেশের তিন শিক্ষার্থী স্বর্ণপদক অর্জন করেছে। প্রতিযোগিতার মোট ১০টি স্বর্ণপদকের মধ্যে তিনটিই বাংলাদেশের ঝুলিতে গেছে, যা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
স্বর্ণপদকজয়ীরা হলেন: কুমিল্লার হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবিব শাহরিয়ার, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সাইদুজ্জামান আরাফ এবং নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ত্রিদিব রায় আর্য। আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে তারা যথাক্রমে চতুর্থ, পঞ্চম ও নবম স্থান অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ দলের আরও চার সদস্য সম্মানজনক স্বীকৃতি পেয়েছে। তারা হলেন: দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাওফিল রহমান, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী নাঈরা নাওয়ার আহমেদ, মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অনন্য যারিফ আকন্দ এবং নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী মোবতাসিম চৌধুরী প্রিয়ম। দলের অপর সদস্য ছিলেন ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী মুর্তজা আব্দুল্লাহ।
গত ১৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (আইআইটি) থেকে ভিডিও প্রক্টরিং ও স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের আট সদস্য এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ছয় ঘণ্টাব্যাপী প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা বোরিয়াম প্ল্যাটফর্মে চারটি ভিন্ন মেশিন লার্নিং সমস্যার সমাধান করেন।
বাংলাদেশ দলের দলনেতা ও ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন বলেন, এই ফলাফল আমাদের আশাবাদী করে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমাদের কার্যক্রম যে সঠিক পথে এগোচ্ছে, এই অর্জন তার প্রমাণ। এটি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতার দৃঢ় ঘোষণা।
দলের কোচ ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং দেশের জন্য সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয়ই এই ঐতিহাসিক সাফল্যের ভিত্তি। এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে আরও বড় আন্তর্জাতিক অর্জনের পথ তৈরি করবে।
বাংলাদেশ দলের একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর তাসনিম মাহফুজ নাফিস জানান, এবারের প্রতিযোগিতায় অ্যাস্ট্রোনমি, অডিও প্রসেসিং, ওয়াইল্ডলাইফ ইমেজ ও কেমিস্ট্রি ডোমেইনের চারটি সমস্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি বলেন, বর্তমান বিশে^ যেকোনো ক্ষেত্রে কাজ করতে চাইলে এআই ও মেশিন লার্নিং দক্ষতা শিক্ষার্থীদের অনেক এগিয়ে রাখবে।
বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) সভাপতি মুনির হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের এই অর্জন আমাদের গর্বিত করেছে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পুরো দল যেভাবে কাজ করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম শুরু হয়। মে মাসে আঞ্চলিক পর্ব ও ১৬ মে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় সিলেকশন ক্যাম্পের মূল্যায়নের ভিত্তিতে এপিওএআইয়ের জন্য বাংলাদেশ দল গঠন করা হয়।
বাংলাদেশ এআই অলিম্পিয়াডের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন)। প্ল্যাটিনাম স্পন্সর ও জাতীয় পর্বের হোস্ট ছিল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি), পাওয়ার্ড বাই পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল রিভ চ্যাট।





দেশের রাস্তায় ১ হাজারের বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি সরবরাহের মাইলফলক বিওয়াইডি’র
দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে অপোর অংশীদারিত্ব
সিআইপিএস এশিয়া অ্যাওয়ার্ডে বাংলালিংকের চার স্বীকৃতি
দেশে দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনল রিভো
বাংলা কিউআর ব্যবহারে বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার টাকার বেশি ছাড়
ল্যাগ কমাতে ফোন ঠান্ডা রাখার নতুন কুলিং প্রযুক্তি
অ্যাসেট প্রকল্পের ইবিটি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা
‘প্রিয় এজেন্ট’ থেকে বিকাশে ক্যাশআউট খরচ কমে হাজারে ১৩.৯৫ টাকা
ডেটা শেষ হলেও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা যাবে, নতুন সুবিধা আনল গ্রামীণফোন