বুধবার ● ৮ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » আইসিটি সংবাদ » মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে উইনরকের সঙ্গে বাংলালিংকের অংশীদারত্ব
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নে উইনরকের সঙ্গে বাংলালিংকের অংশীদারত্ব
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের টেকসই জীবিকা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক।
সম্প্রতি রাজধানীর বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত উইনরকের ‘আশ^াস’ প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ অ্যাপ ব্যবহার করে মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা দিয়ে আয় করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁরা নিরাপদ ও দায়িত্বশীলভাবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণও পাবেন।
চুক্তিতে বাংলালিংকের পক্ষে সই করেন সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ‘আশ^াস’ প্রকল্পের পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত।
মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের জন্য ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলালিংক জানায়, ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ তাদের একটি সোশ্যাল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহার করে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে আয় করা যায়। কোনো প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াই তরুণ, নারী, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা প্ল্যাটফর্মটিতে যুক্ত হতে পারেন। সহজ নিবন্ধন, ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, তাৎক্ষণিক কমিশনের হিসাব এবং স্বচ্ছ পুরস্কার ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সুবিধাও এতে রয়েছে।
বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করছে উইনরক। এই অংশীদারত্ব সমাজে নারীদের ডিজিটাল ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জিএসএমএর ‘কানেক্টেড উইমেন’ উদ্যোগের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ‘আশ^াস’ প্রকল্পের পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত বলেন, ডিজিটাল দক্ষতা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উদ্যোগের আওতায় বাংলাদেশের মানব পাচার প্রবণ ১০টি জেলার নারী ও পুরুষকে হাতে-কলমে ডিজিটাল দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যা তাদের প্রযুক্তি ব্যবহারে আত্মবিশ^াসী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে আরও সক্ষম হতে সহায়তা করবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান এবং উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মাসনুন হক উপস্থিত ছিলেন।





দেশের রাস্তায় ১ হাজারের বেশি বৈদ্যুতিক গাড়ি সরবরাহের মাইলফলক বিওয়াইডি’র
দেশের ফুটবলকে উৎসাহিত করতে জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে অপোর অংশীদারিত্ব
সিআইপিএস এশিয়া অ্যাওয়ার্ডে বাংলালিংকের চার স্বীকৃতি
দেশে দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনল রিভো
বাংলা কিউআর ব্যবহারে বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার টাকার বেশি ছাড়
ল্যাগ কমাতে ফোন ঠান্ডা রাখার নতুন কুলিং প্রযুক্তি
অ্যাসেট প্রকল্পের ইবিটি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা
‘প্রিয় এজেন্ট’ থেকে বিকাশে ক্যাশআউট খরচ কমে হাজারে ১৩.৯৫ টাকা
ডেটা শেষ হলেও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা যাবে, নতুন সুবিধা আনল গ্রামীণফোন