সোমবার ● ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রথম পাতা » আইসিটি সংবাদ » অ্যাসেট প্রকল্পের ইবিটি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা
অ্যাসেট প্রকল্পের ইবিটি কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা
অ্যাসেট (এক্সেলারেটিং এন্ড স্ট্রেন্থথেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন) প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) পরিচালিত এন্টারপ্রাইজভিত্তিক প্রশিক্ষণ (ইবিটি) কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এ কর্মশালা আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শামসুর রহমান খান এবং অ্যাসেট প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মীর জাহিদ হাসান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির আওতায় ৬২টি প্রতিষ্ঠান ইবিটি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। অনুমোদিত ২৮৩টি প্রশিক্ষণ ব্যাচের মধ্যে ২৭৩টি সক্রিয় রয়েছে। এ পর্যন্ত চতুর্থ পর্যায়ে ৬ হাজার ৫৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ৪ হাজার ৭৯২ জন পুরুষ, ১ হাজার ৭৬০ জন নারী, ২৩ জন প্রতিবন্ধী এবং ২০ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য। মোট প্রশিক্ষণার্থী লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৭৯২ জন।
কর্মশালায় ইবিটি কার্যক্রমের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান। আইটি সাপোর্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডাটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জাপানি ভাষা, কাস্টমার সার্ভিস ও ব্যাক অফিস সার্ভিসসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতি–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. দাউদ মিয়া বলেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মান, জবাবদিহি, বাস্তব দক্ষতা অর্জন এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, প্রশিক্ষণকে আরও শিল্পসংযুক্ত ও ফলাফলভিত্তিক করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীদের কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলা গেলে চাকরি, শিক্ষানবিশ, ফ্রিল্যান্সিং ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।
কর্মশালায় বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, অ্যাসেট প্রকল্প, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।





ঢাবির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট হবে হুয়াওয়ের আইসিটি একাডেমি
এয়ারটেলের নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’
এআইনির্ভর হচ্ছে সাইবার হামলা, নিরাপত্তায়ও এআই ব্যবহারের পরামর্শ ক্যাসপারস্কির
নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ
তিন বিভাগে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত
এনএফসি সুবিধাসহ বাজারে হেলিও ৪৭
নগর পরিবহনের জট খুলবে এআইয়ের চার স্তরে: ড. লি চিয়ান
জাতীয় গ্রিডে হুয়াওয়ের নতুন ইনভার্টার ও ব্যাটারি স্টোরেজ
এআইয়ের অপব্যবহারে সাইবার হামলার নতুন ঝুঁকি: সফোসের প্রতিবেদন