রবিবার ● ২ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » আইসিটি সংবাদ » আড়াই বছরে ৪০ লাখ প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল দক্ষতায় যুক্ত করার লক্ষ্য গ্রামীণফোনের
আড়াই বছরে ৪০ লাখ প্রান্তিক মানুষকে ডিজিটাল দক্ষতায় যুক্ত করার লক্ষ্য গ্রামীণফোনের
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল দক্ষতা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়াতে ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করেছে গ্রামীণফোন। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সহযোগিতায় পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী আড়াই বছরে মোট ৪০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩০ জুলাই রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্যোগটির দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে প্রথম পর্যায়ের সাফল্যও তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী (অব.)।
গ্রামীণফোন জানায়, কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে দেশের ৩২টি জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশই নারী ও কিশোরী। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০২৮ সালের মধ্যে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৪০ লাখে উন্নীত করার পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার, অনলাইন সরকারি সেবা গ্রহণ, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার, ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছে গ্রামীণফোন। নতুন পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীলতা, টেকসই জীবিকা এবং তরুণদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত নতুন প্রশিক্ষণ মডিউল যুক্ত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, দেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতায় সক্ষম করে তুলতে হবে। সরকারি সেবা ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী বলেন, কার্যকর বা অর্থবহ সংযোগ শুধু নেটওয়ার্ক কভারেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর জন্য প্রয়োজন ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার। তাঁর মতে, এ উদ্যোগটি বিভিন্ন অংশীজনের সহযোগিতায় ডিজিটাল বৈষম্য কমানোর একটি উদাহরণ।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি মানুষের শেখা, আয় ও উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি করে। প্রথম পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীলতা, টেকসই জীবিকা এবং তরুণদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল অর্থনীতিতে আরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারে।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্ট, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম এবং ডিজিটাল ইনক্লুশন লিড তাজরিবা খুরশীদ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আয়োজিত এক প্যানেল আলোচনায় প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্র ডিরেক্টর কবিতা বোস, জিএসএমএর সিনিয়র মার্কেট এনগেজমেন্ট ম্যানেজার গগনদীপ মনচান্দা, টেলিনর এশিয়ার চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মনীষা ডোগরা, গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান অংশ নেন।
শেষ পর্বে গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান কর্মসূচির কয়েকজন সুবিধাভোগীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অর্জিত ডিজিটাল দক্ষতা শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।





ঢাবির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট হবে হুয়াওয়ের আইসিটি একাডেমি
এয়ারটেলের নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’
এআইনির্ভর হচ্ছে সাইবার হামলা, নিরাপত্তায়ও এআই ব্যবহারের পরামর্শ ক্যাসপারস্কির
নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ ক্যাটাগরি নিয়ে এলো সাজগোজ
তিন বিভাগে ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের জাতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত
এনএফসি সুবিধাসহ বাজারে হেলিও ৪৭
নগর পরিবহনের জট খুলবে এআইয়ের চার স্তরে: ড. লি চিয়ান
জাতীয় গ্রিডে হুয়াওয়ের নতুন ইনভার্টার ও ব্যাটারি স্টোরেজ
এআইয়ের অপব্যবহারে সাইবার হামলার নতুন ঝুঁকি: সফোসের প্রতিবেদন