সোমবার ● ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রথম পাতা » আইসিটি সংবাদ » এআইনির্ভর হচ্ছে সাইবার হামলা, নিরাপত্তায়ও এআই ব্যবহারের পরামর্শ ক্যাসপারস্কির
এআইনির্ভর হচ্ছে সাইবার হামলা, নিরাপত্তায়ও এআই ব্যবহারের পরামর্শ ক্যাসপারস্কির
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কারণে সাইবার হামলা আরও দ্রুত ও জটিল হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে আইটি ও অপারেশনাল টেকনোলজি (ওটি) অবকাঠামোতেও বাড়ছে নিরাপত্তাঝুঁকি। এ পরিস্থিতিতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে হুমকি শনাক্তকরণ, নিয়মিত নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি।
ক্যাসপারস্কির গবেষক হিয়া বলেন, এআই ও দ্রুতগতির কানেক্টিভিটি ব্যবসায় গতি বাড়ালেও নিরাপত্তার অদৃশ্য ঝুঁকি তৈরি করছে। তাই হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে কী ঘটছে, তা আগেই শনাক্ত করার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর প্রতিদিন গড়ে ৫ লাখ ইউনিক ক্ষতিকর ফাইল শনাক্ত ও প্রতিহত করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৭ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া এআই-সহায়তাপ্রাপ্ত সাইবার হামলা, আইটি ও ওটি অবকাঠামোয় নাশকতা এবং জটিল সাইবার গুপ্তচরবৃত্তির ঝুঁকিও বাড়ছে।
হিয়া জানান, চলতি বছরেই এআই এজেন্টভিত্তিক সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে থাকা ১৫ হাজারের বেশি ম্যালওয়্যার নমুনা শনাক্ত করেছে ক্যাসপারস্কি। তৃতীয় পক্ষের ফ্রেমওয়ার্ক, এপিআই ও প্লাগইনের ওপর এআই এজেন্টগুলোর নির্ভরতার কারণে সাইবার সাপ্লাই চেইনে নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কোনো একটি উপাদান আক্রান্ত হলে এর প্রভাব একাধিক সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ক্যাসপারস্কির কম্প্রোমাইজ অ্যাসেসমেন্টের তথ্য বলছে, বিশ্লেষণ করা সাইবার হামলার ৩১ শতাংশে তিন মাসের বেশি সময় ধরে ক্ষতিকর কার্যক্রম চলেছে। উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ আক্রান্তের ৫২ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে ঘটনার ৯০ দিন পর। সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী একটি হামলা শনাক্ত হওয়ার আগে চার বছর ধরে সক্রিয় ছিল। এ কারণে আধুনিক ও সমন্বিত সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (এসওসি) প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ক্যাসপারস্কি। প্রতিষ্ঠানটির মতে, নিয়মিত নজরদারি না থাকলে হামলাকারীরা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়া, অধিকতর প্রবেশাধিকার নেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ দখলের সুযোগ পায়।
ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, সাইবার নিরাপত্তায় এআই ও মানব বিশেষজ্ঞের সমন্বিত সক্ষমতা ব্যবহার করছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির ভাষায়, এআই মানুষের বিকল্প নয়; বরং মানুষের দক্ষতার সঙ্গে এআইয়ের সমন্বয়ই ভবিষ্যতের সাইবার নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই ধারণাকে তারা ‘হিউমেশিন ইন্টেলিজেন্স’ হিসেবে উল্লেখ করছে।
ক্যাসপারস্কি নেক্সট, কম্প্রোমাইজ অ্যাসেসমেন্ট, ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর), ইন্সিডেন্ট রেসপন্স ও এসওসি কনসাল্টিংয়ের মতো সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো হুমকি শনাক্তকরণ, তদন্ত ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা বাড়াতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।





এক প্ল্যাটফর্মে একাধিক এআই মডেল ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে গ্রামীণফোন
৩,৯০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে ভিভো ভি৮০ লাইট
১৪ কোটি গ্রাহকের মাইলফলকে সিম্ফনি
১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক সিকিউরিটি ও সেফটি এক্সপো
৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিংয়ে রিয়েলমি সি১০০এক্স
২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ
সাধারণ মুহূর্তে অসাধারণ কিছু পাওয়াই ফটোগ্রাফি: অপো
এক সাবস্ক্রিপশনে একাধিক এআই ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে রবি
ঢাকায় বসছে আইআরও বাংলাদেশ ওপেনের জাতীয় পর্ব
আন্তর্জাতিক জুনিয়র বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের ৬ সদস্যের দল